২০২৬ শিক্ষাবর্ষ সংক্রান্ত দিক নির্দেশনা (নার্সারি – ৯ম শ্রেণি)

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّهِ وَبَرَكاتُهُ

ﺇِﻥَّ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪَ ﻟِﻠﻪِ ﻧَﺤْﻤَﺪُﻩُ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻌِﻴْﻨُﻪُ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُﻩْ ﻭَﻧَﻌُﻮﺫُ ﺑِﺎﻟﻠﻪِ ﻣِﻦْ ﺷُﺮُﻭْﺭِ ﺃَﻧْﻔُﺴِﻨَﺎ ﻭَﻣِﻦْ ﺳَﻴِّﺌَﺎﺕِ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟِﻨَﺎ، ﻣَﻦْ ﻳَﻬْﺪِﻩِ ﺍﻟﻠﻪُ ﻓَﻼَ ﻣُﻀِﻞَّ ﻟَﻪُ ﻭَﻣَﻦْ ﻳُﻀْﻠِﻞْ ﻓَﻼَ ﻫَﺎﺩِﻱَ ﻟَﻪُ. ﺃَﺷْﻬَﺪُ ﺃَﻥَّ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠﻪ ﻭَﺃَﺷْﻬَﺪُ ﺃَﻥَّ ﻣُﺤَﻤَّﺪًﺍ ﻋَﺒْﺪُﻩُ ﻭَﺭَﺳُﻮْﻟُﻪُ

সবাইকে এস.সি.ডি শান্তিনগর শাখায় আহলান ওয়া সাহলান।

===============================

১৫ জানুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) থেকে মর্নিং শিফট-এর ক্লাস (১ম – ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত) সকাল ৭:২০-এ শুরু হবে। রমাদান মাসের ছুটির পর থেকে এই সময় পরিবর্তন হয়ে সকাল ৭:১০-এ শুরু হবে ইন-শা-আল্লাহ।

১৫ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডে শিফট-এর ক্লাস দুপুর ১২:১০ থেকে শুরু হবে।

নার্সারি, কেজি শ্রেণির ক্লাস শুরুর সময় পুরো বছরই অপরিবর্তিত থাকবে।

সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় তারতম্যভেদে ক্লাস শুরু ও শেষ হওয়ার সময় ভবিষ্যতে কিছুটা পরিবর্তিত হবে, যা যথাসময়ে অভিভাবকদের জানিয়ে দেওয়া হবে, ইন-শা-আল্লাহ।

ক্লাসশিফটসেকশনশুরুর সময়রুম নং
নার্সারিমর্নিং শিফটSection A (Girls)সকাল ৮:৩০-১০:৩০২০১
নার্সারিডে শিফটSection B (Boys)সকাল ১১:০০ – ১:০০২০১
কেজিমর্নিং শিফট Section A, Section Cসকাল ৮:০০ – ১০:৩৫২০২, ৩০৩
কেজিডে শিফট Section B, Section Dসকাল ১১:০০ – ১:৩৫৩০৩, ২০২
  • পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী, নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সব বই স্কুলে নিয়ে আসবে। বইগুলো স্কুলে রেখে দেওয়া হবে এবং ক্লাস ওয়ার্ক করানো হবে ইন-শা-আল্লাহ। বাড়ির কাজ হিসেবে শিক্ষার্থীদের খাতায় হোমওয়ার্ক দেওয়া হবে। নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোনো ডায়রি দেওয়া হয় না। তাই অভিভাবকবৃন্দ প্রতিদিন হোমওয়ার্কের খাতা চেক করবেন এবং বাসায় দেওয়া বাড়ির কাজ করাবেন।
  • নার্সারি শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো বাড়তি অলংকার পরিধান না করে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এছাড়া কোনো খেলনা বা বাড়তি জিনিস ব্যাগে করে না আনে সেদিকে খেয়াল রাখেবেন।
  • নার্সারি শ্রেণিতে যারা এ বছর ভর্তি হয়েছে, তাদের অধিকাংশের জন্য আগামাী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ জীবনের প্রথম স্কুলের দিন। কিছু শিক্ষার্থী মা-বাবার কাছ থেকে আলাদা হয়ে ক্লাসে যাওয়ার সময় কান্নাকাটি করে থাকে, যা খুবই স্বাভাবিক। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের ধৈর্য্য ধরার জন্য অনুরোধ করছি এবং বাচ্চার কাছে যাওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

অভিভাবকদের বসার স্থান ও স্কুল অফিসে যোগাযোগ

নার্সারি থেকে ৯ম শ্রেণির অভিভাবকগণ শিক্ষার্থীদের স্কুলের গেইটের সামনে এস.সি.ডি স্টাফদের কাছে সন্তানদের পৌছে দিবেন। এস.সি.ডি স্টাফরা আপনার সন্তানদের যথাস্থানে পৌছে দিবে।

তবে প্রয়োজন হলে (বিশেষ করে নার্সারি শ্রেণি) আমরা অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করে বিশেষ বিবেচনায় ক্লাস রুমের বাইরে অবস্থান করার অনুমতি প্রদান করা হবে, ইন-শা-আল্লাহ।

স্কুলের গেইটের পাশে বারান্দায় কিছু সংখ্যক মহিলা অভিভাবকদের জন্য বসার ব্যবস্থা আছে। অভিভাবকগণ নির্ধারিত বসার স্থানে অবস্থান করতে পারবেন। পুরুষ ও মহিলা অভিভাবকদের অথবা ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পর্দার বিধান সম্পর্কে সবাই সতর্ক থাকবেন ইন-শা-আল্লাহ।

স্কুলের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই স্কুল থেকে ২টি আই.ডি কার্ড প্রদান করা হয়। একটি প্লাস্টিক আই.ডি. কার্ড (যা শিক্ষার্থী পরিধান করবে) এবং আরেকটি লেমিনেটেড আই.ডি. কার্ড (যা প্রত্যেক অভিভাবক শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় গেটে প্রদর্শন করবে)।

৩য় থেকে ৮ম শ্রেণির কোনো অভিভাবক যদি শিক্ষার্থীদের কাছে ২টি আই.ডি কার্ডই দিয়ে রাখেন, তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষ ধরে নিবে যে সেই শিক্ষার্থী একাই স্কুল থেকে বাসায় যাবে

নার্সারি থেকে ২য় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীকে অভিভাবক ছাড়া একা যেতে দেওয়া হবে না।

কারও আই.ডি কার্ড হারিয়ে গেলে স্কুলের নির্ধারিত ফি প্রদান করে আই.ডি কার্ড সংগ্রহ করবেন। বা বিশেষ প্রয়োজনে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক লেমিনেটেড আই.ডি. কার্ড প্রদান করবে, ইন-শা-আল্লাহ।

আই.ডি. কার্ড পরিধান ও আই.ডি. কার্ডের অভিভাবক কপি প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে নেওয়ার বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ কঠোর নীতি অবলম্বন করে। তাই অভিভাবকগণ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাতে অনুরোধ করে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বিব্রত করবেন না, ইন-শা-আল্লাহ।

প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার স্কুল থেকে টিফিন প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীরা বাসা থেকে বা বাইরে থেকে কোনো ধরনের খাবার স্কুলে আনবে না। নার্সারি থেকে ৫ম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী অবশ্যই সাথে করে (স্কুল নির্ধারিত) টিফিন বক্স নিয়ে আসবে। নার্সারি থেকে ৫ম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীকে যার যার টিফিনবক্সে টিফিন দেওয়া হবে।

স্কুলের প্রতিটি তলাতেই ‘রিভার্স অসমোসিস সিস্টেম’-এর খাবার পানির ফিল্টার রয়েছে। শিক্ষার্থীরা যার যার ব্যক্তিগত পানির বোতল (স্কুল নির্ধারিত) নিয়ে আসবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পানি ভরে নিবে। একজনের পানির বোতল আরেকজন ব্যবহার করবে না।

টয়লেট ব্যবহার করার পর শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত এবং টয়লেট-এর পরিস্কার/পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যেন পরবর্তী ব্যবহারকারি টয়লেটে প্রবেশের পর একটি পরিচ্ছন্ন টয়লেট পায়। এ বিষয়ে অভিভাবকবৃন্দ সন্তানদের অবগত করবেন।

প্রাথমিক অবস্থায় অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে হয়ত পরিপূর্ণভাবে স্কুল ইউনিফর্ম পরে আসা সম্ভব হবে না। তবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অবশ্যই পরিপূর্ণভাবে ইউনিফর্ম পরে আসা নিশ্চিত করতে হবে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পরিপূর্ণ ইউনিফর্ম ছাড়া স্কুলে প্রবেশ করার অনুমতি পাবে না। শিক্ষার্থীরা ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর পূর্ব পর্যন্ত স্কুলের নির্ধারিত ইউনিফর্ম-এর কাছাকাছি ধরন এবং রং-এর পোষাক পরিধান করে আসবে।

স্কুলের নির্ধারিত ইউনফর্ম ও সঠিক সময়ে স্কুলে প্রবেশের বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করে। তাই দেরী করে উপস্থিত হওয়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ এই বিষয়ে ধৈর্যের পরিচয় দিবেন এবং দয়া করে স্কুলের গার্ড বা স্টাফদের সাথে উচ্চবাচ্য বা অসন্তোষ প্রকাশ করবেন না।

==========

মা’আসসালামাহ

অধ্যক্ষ

Scroll to Top